"রাক্ষসের দ্বীপে (লো০০৪)" বইটিতে লেখা ফ্ল্যাপের কথা” সিমিউলেশন মেশিনে প্রথম অভিযান শুরু করেছে লো, নিমি আর টম। তাদের সাথে যোগ। দিয়েছে ভার্চুয়াল জগতের রাজপুত্র জিয়ান।। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য রাক্ষস গিউমাসকে পরাজিত করে রাজকন্যা নিহিনাকে উদ্ধার করা। কিন্তু কাজটা মোটেও সহজ নয়। গিউমাসের পাহারায় থাকা বিশাল সাপ সিপিলিন প্রথমেই আক্রমণ করে বসে সবাইকে। অনেক কষ্টে নিজেদের রক্ষা করতে পারলেও গিউমাসের কাছে পৌছানোর বিষয়টি সহজ নয়। তার থেকে বড় কথা, গিউমাস জেনে গেছে তারা দ্বীপে উপস্থিত হয়েছে। গিউমাসের তাড়া খেয়ে সবাই আটকা পড়ে পাহাড়ের নিচে সুড়ঙ্গের মধ্যে। মুক্তির উপায় নেই। কী করবে এখন তারা? লো নিরুপায় হয়ে যাদুর তরবারী দিয়ে আক্রমণ করে গিউমাসকে। কিন্তু এ কী আঘাতে গিউমাসের শরীর ক্ষত বিক্ষত হলেও ক্ষত আবার সেরে উঠছে। কিছুক্ষণের মধ্যে। এজন্যই গিউমাসকে কেউ হত্যা করতে পারে না। হত্যা করতে হলে বিশেষ একটি ছুরি দরকার। ভয়ংকর সাপ সিপিলিন সবসময় ওটাকে পাহারা দিয়ে রাখে। তাহলে এখন উপায়? ছুটে আসছে গিউমাস তাদের দিকে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হবে সবার। শেষ পর্যন্ত কী গিউমাসকে হত্যা করে রাজকন্যা। নিহিনাকে উদ্ধার করতে পেরেছিল সবাই? নাকি ভার্চুয়াল জগতের ভয়ংকর রাক্ষস গিউমাসের হাতে করুণ মৃত্যু বরণ করতে হয়েছিল সবাইকে?
Title
কিশোর সায়েন্স ফিকশন ও অ্যাডভেঞ্চার সিরিজ লো -৫টি বই
লেখক মোশতাক আহমেদ এর জন্ম ১৯৭৫ সালেল ৩০ ডিসেম্বর, ফরিদপুর জেলায়। তিনি ঢাকা ভার্সিটির ফার্মেসী বিভাগ হতে মাষ্টার্স এবং আইবিএ হতে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের লেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে ক্রিমিনোলজিতে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি সাহিত্যপ্রেমী, লেখালেখির প্রতি আগ্রহ আকাশচুম্বী। তার প্রথম উপন্যাস জকি প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। সায়েন্স ফিকশন লেখক হিসেবে সুপরিচিত হলেও নিয়মিত গোয়েন্দা, ভৌতিক, প্যারাসাইকোলজি, মুক্তিযুদ্ধ, কিশোর ও ভ্রমণ উপন্যাসও লিখে চলেছেন। বিভিন্ন জনরায় লেখালেখির জন্য বহুমাত্রিক লেখক হিসেবেও তিনি সর্বজনবিদিত। তার রচিত উপন্যাসের সংখ্যা শতাধিক। বাংলাসাহিত্যে অনবদ্য অবদানের জন্য তিনি ২০১৭ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন। এছাড়া তিনি কালি ও কলম সাহিত্য পুরস্কার, চ্যানেল আই সিটি আনন্দ আলো সাহিত্য পুরুস্কারও লাভ করেন।